দশ দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত সন্ধান মেলেনি বিকাশের সেলসম্যান মারুফ হোসেনের মঙ্গলবার (১৪ অক্টোম্বর) দুপুরের পর থেকে নিখোঁজ রয়েছে মারুফ। এ ঘটনায় দোহার থানায় একটি জিডি করা হয়েছে। মারুফ উপজেলার উত্তর জয়পাড়া মিয়াপাড়া এলাকার মনোয়ার হোসেনের ছেলে।
ঘটনার দিন রাত ১১টার দিকে নিখোঁজের ছোট ভাই রায়হানের ফোনে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি কল দিয়ে বিষয়টি নিয়ে বারাবরি না করার হুমকি দেয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মারুফ বিকাশের সেলসম্যান হিসেবে কাজ করত নবাবগঞ্জ উপজেলার কাশিয়াখালী বেড়িবাঁধ এলাকায়। মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে উত্তর জয়পাড়া নিজ বাড়ি থেকে জয়পাড়া ডাকবাংলো রোডে অবস্থিত বিকাশের অফিস হয়ে ৩ লাখ টাকা নিয়ে ব্যবসায়িক কাজে বেঁড়িবাধের উদ্দেশে রওয়ানা দেয়। বেঁড়িবাধ এলাকায় বিকাশ এজেন্টদের সঙ্গে লেনদেন করে পাশ্ববর্তী বান্দুরার উদ্দেশে রওয়ানা দেওয়ার পর থেকেই তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। মঙ্গলবার সন্ধার পর নিখোঁজ মারুফের বাবা মনোয়ার হোসেন এ ব্যাপারে দোহার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
নিখোঁজ মারুফের স্ত্রী মোহনা আক্তার বলেন, সকাল ১১টার দিকে সবশেষ আমার সঙ্গে কথা হয়। কাজ শেষ করে বাড়ির ফেরার কথা জানালে দুপুর ১টার দিকে পুনরায় ফোন দিলে ফোনটি নিয়মিত বন্ধ পাওয়া যায়।
মারুফের ছোট ভাই রায়হান জানান, ঘটনার দিন রাতে একটি মোবাইল নম্বর থেকে আমাকে ফোন দিয়ে হুমকি দেয় যে, মারুফের বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে ফলাফল ভালো হবে। বিষয়টি আমি দোহার থানা পুলিশকে অবগত করার পরও আমার ভাইকে উদ্ধারের তেমন তৎপর দেখা যায়নি। এখনও পর্যন্ত কোনো ধরনের খোঁজ খবর না হওয়ায় পরিবারের মধ্যে উৎকন্ঠা বাড়ছে তাকে নিয়ে। পরিবারের প্রত্যাশা মারুফের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও যে ফোন দিয়ে হুমকি দিয়েছে সেই কল লিষ্ট চেক করলেই আসামিরা ধরা পড়বে।
দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আলী জানান, বিষয়টি নিয়ে থানার সেকেন্ড অফিসার কাজ করছে। সবশেষ ফোন কলটি নবাবগঞ্জে টেচ করা হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।