ঢাকার নবাবগঞ্জে ০৩ই জুলাই বিকাল সাড়ে ৫ ঘটিকার সময় পূর্ব শত্রুতার জেরে মাদার মামলা প্রতহার না করার কারণে ৩য় দফায় সংঘর্ষ ঘটে এতে উভয় পক্ষের ৬ জন আহত হয়।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায় যে, চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারিতে উপজেলাধীন কৈলাইল ইউনিয়নের নয়াকান্দা এলাকার মোকলেসুর রহমান(৪৫), পিতা: মৃত আমানত ব্যাপারী হত্যা মামলার আসামিরা ১) মোঃ বিল্লাল (৪৮) পিতা: কোমর উদ্দিন ২) মোজাম্মেল (৫০) পিতা কোমর উদ্দিন ৩) খোরশেদ (৪০) পিতা ফজল ৪) সোহরাব (৪৮) পিতা জিদন ব্যাপারী ৫) পলাশ (৩০) পিতা আসাদুল্লাহ ৬) রাসেল (৩২) পিতা মোজাম্মেল সহ অজ্ঞাত ১০/১২ জন পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করেন, এ বিষয়ে মামলা হয় নবাবগঞ্জ থানায়।
১। মালেক দেওয়ান, ২। খালেক দেওয়ান সহ মোট ৬ কে দেশীয় অস্ত্র,ও টেটা মেরে গুরুতর যখম করে, আহতদের নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ইমারজেন্সি ডিউটি ডা. প্রীতম দে।
.
স্থানী ও পরিবার সূত্রে জানা যায় যে, চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে মোকলেসুর রহমান(৪৫), পিতা: মৃত আমানত ব্যাপারী হত্যা পরিকল্পিত ভাবে দেশি অস্ত্র লাঠিশটাদিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে নিহতের স্ত্রী বিলকিস বেগম বাদী হয়ে নবাবগঞ্জ থানায় একটি মামলা করলে এ ঘটনায় ভোর রাতেই নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ জমিলা বেগম(৫০), মোজাম্মেল হোসেন (৬০) ও বিল্লাল হোসেন(৫০) তিন জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
হত্যামামলার আসামীরা জামিনে বের হয়েই মামলা প্রতাহার না করার যেরে ২৫ই মে রবিবার বিকেলে মোজাম্মেল হোসেন (৬০) ও বিল্লাল হোসেন(৫০) সহ আরও ৩/৪জন মোটরসাইকেল যুগে এসে বাদী পক্ষের ১। মালেক দেওয়ান, ২। খালেক দেওয়ানগংদের দেশীয় অস্ত্র, চাইনিজ কুরাল সেন চাপাতিদিয়ে কুপুরে গুরুত্বর যখম করে। এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানায় পাল্টপাল্টি দুইটি মামলা হয়।
পরিবার সুত্রে আরও জানা যায যে, হত্যামামলার আসামীগং বিভিন্ন ভাবে মামলা প্রতাহারে না করায় বিভিন্ন সময় হুমকি প্রদান করে, সর্বশেষ ৩ই জুলাই বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টায় অতকিত ভাবে এ হামলা করে বলে জানান।
নবাবগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ মমিনুল ইসলাম বলেন, তদন্ত সহ আমরা ঘটনস্থল পরিদর্শন করেছি, এবিষয়ে কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।