ঢাকাFriday , 5 May 2023
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

স্কুলছাত্রী মুক্তি রাণী বর্মণ হত্যা, ঘাতক কাউসার আটক

Link Copied!

নেত্রকোণার বারহাট্টায় স্কুল থেকে সহপাঠীদের সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে ঘাতকের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মুক্তি রাণী বর্মণ হত্যার মূলহোতাকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বুধবার বিকেল পৌনে ৩টার দিকে প্রেমনগর গ্রামের ধানক্ষেতসংলগ্ন জঙ্গল থেকে ঘাতক কাউসারকে (১৮) আটক করে পুলিশ।

#New_Classic_Event_Management

নিহত মুক্তি রাণী উপজেলার প্রেমনগর ছালিপুর গ্রামের নিখিল চন্দ্র বর্মণের মেয়ে। সে ছালিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ও বারহাট্টা নারী প্রগতি সংঘের ইয়্যুথ গ্রুপের সদস্য ছিল। আর ঘাতক কাউসার মিয়া একই গ্রামের সামছু মিয়ার ছেলে।

কাউসারকে আটকের দুই ঘণ্টা আগে বারহাট্টা শহীদ মিনারের সামনের সড়কে হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন হয়। বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ, ইয়ুথ গ্রুপ, কমিউনিটি ফোরাম ও সর্বস্তরের নাগরিক সমাজের ব্যানারে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।


আজ বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে কাউসারকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. হারুন অর রশিদ। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সাহেব আলী পাঠান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. লুৎফর রহমান, খালিয়াজুরী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলামসহ পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাসহ জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হারুন অর রশিদ আরও বলেন, ভিকটিম মুক্তি রাণীকে দীর্ঘদিন যাবৎ প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল হত্যাকারী। ভিকটিম প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় হত্যাকাণ্ড ঘটায় কাউসার। হত্যাকাণ্ডের পর জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা শাখার সমন্বয়ে চারটি টিম ঘাতককে ধরতে কাজ শুরু করে। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার ভেতরে মূলহোতাকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মুক্তি রাণীর পথরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মাথায় ও ঘাড়ে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করে কাউসার। সহপাঠী ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বারহাট্টা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। মমেক হাসপাতালে নেওয়া হলে ওই দিন বিকেল ৫টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুক্তি রাণীকে মৃত ঘোষণা করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি