ঢাকাFriday , 3 June 2022
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের মূল দায় রাশিয়ার

Link Copied!

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও এর মিত্র দেশগুলো মনে করে ইউক্রেনে যুদ্ধের মূল দায় রাশিয়ার। তাদের দাবি, চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা শুরুর পর থেকে রুশ বাহিনী ‘যুদ্ধাপরাধ’ করেই যাচ্ছে। ১০০ দিনের লড়াইয়ে তারা হাজার হাজার ইউক্রেনীয়কে হত্যা করেছে। বাস্তুচ্যুৎ হয়েছে লাখ লাখ মানুষ। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে একই মত পোষণ করে বক্তব্য দিয়েছেন মার্কিন আন্ডার সেক্রেটারি অফ স্টেট উজরা জেয়া। টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

#New_Classic_Event_Management

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘনের জন্য জবাবদিহিতা এবং ন্যায়বিচার জোরদার করার বিষয়ে বক্তব্য দিচ্ছিলেন উজরা জেয়া। সেখানে তিনি বলেন, ১০০ দিনে বিশ্ব দেখেছে রাশিয়ান বাহিনী প্রসূতি হাসপাতাল, ট্রেন স্টেশন, অ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিং এবং ঘরবাড়িতে বোমা হামলা করেছে। সাইকেল চালিয়ে যাওয়া বেসামরিক নাগরিকদেরও হত্যা করেছে।

জেয়া বলছেন, ইউক্রেনের নৃশংসতার বিষয়ে আন্তর্জাতিক তদন্তের বিস্তৃত পরিসরে সমর্থন দিতে যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্রদের সাথে কাজ করছে। আয়ারল্যান্ডের অ্যাটর্নি জেনারেল পল গ্যালাঘের ইউক্রেনে ন্যায়বিচারের আহ্বানকে সমর্থন করার জন্য গত তিন মাসের প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানান। জেয়া বলেন, আয়ারল্যান্ড ৪১টি দেশের মধ্যে একটি, যারা দ্রুত ইউক্রেনের পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে তুলে ধরেছে


ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, পূর্ব দনবাসে নৃশংস লড়াই চলছে। তবে সেভেরোাডোনেৎস্ক শহরে ‘কিছু অগ্রগতি’ হয়েছে। যদিও সেখানে রাশিয়ান বাহিনী তাদের দখল শক্ত করছে। খুব তাড়াতাড়ি সেখানকার পরিস্থিতির ব্যাপারে পরিষ্কার হওয়া যাবে।

জেলেনস্কি জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভিডিও ভাষণে বলেন, দনবাসে হামলার পরিস্থিতি এখন সবচেয়ে কঠিন। আশেপাশের শহর এবং জনপদে রুশ বাহিনী শক্তিশালী আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে। লাইসিচানস্ক, বাখমুত এবং অন্যান্য শহরগুলোর অবস্থা এরকমই।

জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়ান বাহিনী দনবাসের এলাকা থেকে বেসামরিক লোকদের একত্রিত করছে। ইতোমধ্যে তারা তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। হামলার সময় রুশ সেনারা সাধারণ মানুষকে সামনের সারিতে রাখছে। তাদের পেছনে রাশিয়ান সেনারা আসছে। যুদ্ধ যত দীর্ঘ হবে, ইতিহাসে রাশিয়ার নামের পাশে চিরকালের জন্য আরও জঘন্য, লজ্জাজনক এবং কুৎসিত বিষয় লেখা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি