ঢাকাWednesday , 13 May 2026
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

আন্তর্জাতিক তদন্তে রুশ জাহাজডুবি নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা

Link Copied!

স্পেনের উপকূলের কাছে রহস্যজনক বিস্ফোরণের ঘটনায় একটি রুশ পণ্যবাহী জাহাজ ডুবে যাওয়ার ঘটনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর স্পেনের উপকূল থেকে প্রায় ৬০ মাইল দূরে জাহাজটি একাধিক বিস্ফোরণের পর ডুবে যায় বলে জানা গেছে।

#New_Classic_Event_Management

ডুবে যাওয়া জাহাজটির নাম উরসা মেজর। এটি রাশিয়ার একটি পণ্যবাহী জাহাজ ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে এখনো নিশ্চিত কোনো কারণ জানা যায়নি, ফলে তদন্ত চলছে।

একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, জাহাজটি সম্ভবত উত্তর কোরিয়ার সাবমেরিনে ব্যবহারের জন্য দুটি পারমাণবিক চুল্লি বহন করছিল। তবে এ বিষয়ে কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।


প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, জাহাজটি রাশিয়ার ইউক্রেন যুদ্ধকালীন সময়ের মধ্যে মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সামরিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার অংশ হিসেবে যাত্রা করেছিল।

ঘটনার পর জাহাজ থেকে বেঁচে যাওয়া ১৪ জন রুশ নাগরিককে স্পেনের কার্তাহেনা বন্দরে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তদন্তকারীরা জানান, জাহাজের ক্যাপ্টেন মালামাল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে অনিচ্ছুক ছিলেন।

পরবর্তীতে জাহাজের ম্যানিফেস্টে উল্লেখিত “ম্যানহোল কভার” নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলে, ক্যাপ্টেন নাকি স্বীকার করেন যে এগুলো সাবমেরিনে ব্যবহারের জন্য পারমাণবিক চুল্লির যন্ত্রাংশ ছিল—এমন দাবি কিছু আইনপ্রণেতার বিবৃতিতে উঠে আসে। তবে এ তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

জাহাজটির মালিক প্রতিষ্ঠান ঘটনাটিকে “পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা” হিসেবে আখ্যা দেয়। তাদের দাবি, জাহাজে অন্তত তিনটি বিস্ফোরণ ঘটে এবং এর ফলে হুলে বড় ছিদ্র তৈরি হয়, যা ডুবে যাওয়ার কারণ হয়।

বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, জাহাজের ধ্বংসাবশেষে পাওয়া ক্ষতির ধরন উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টর্পেডো বা বিস্ফোরকের ইঙ্গিত দিতে পারে। তবে অন্যরা এটিকে দুর্ঘটনা, নাশকতা না সামরিক হামলা—তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত নন।

এদিকে সাবেক নৌ কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, জাহাজের ব্ল্যাকবক্স ও অন্যান্য নেভিগেশন ডেটা উদ্ধার না হওয়ায় ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

বর্তমানে ঘটনাটি ঘিরে আন্তর্জাতিক তদন্ত চলমান থাকলেও, বিস্ফোরণের উৎস ও উদ্দেশ্য নিয়ে নানা প্রশ্ন এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি