পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, সংবিধান মেনে চললে প্রধানমন্ত্রীর দেশে নয়, বিদেশে থাকার কথা। একইভাবে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরও দেশের বাইরে থাকার কথা ছিল।
তিনি বলেন, সংবিধান যদি সত্যিই মানুষকে সুরক্ষা দিত, তাহলে বিভিন্ন সংকটে সংবিধানের আশ্রয় খুঁজতে হতো না। ১৯৭২ সালের সংবিধান অনুযায়ী বিচার হলে, তাদের অনেকেরই সংসদে নয়, কারাগারে থাকার কথা হতে পারত।
সোমবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিনের বৈষম্যের অভিজ্ঞতার কারণে এখন কথা বলতেও সতর্ক থাকতে হয়। সরকারের আমলে সংঘটিত কিছু হত্যার বিচার কতটা কার্যকর হয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীদের বিভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। কখনো তাদের প্রতি সহানুভূতি দেখানো হয়েছে, আবার কখনো তাদের আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্ক অস্বীকার করা হয়েছে।
গণভোট ও সংবিধান নিয়ে নতুন করে আলোচনা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিরোধী নেতাদের কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেও সংবিধান যথাযথ সুরক্ষা দিতে পারেনি।
তিনি দাবি করেন, অতীতে তাদের দলকে লক্ষ্য করে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল এবং সে কারণেই তাদের ভয় পাওয়া হয়।
শফিকুল ইসলাম বলেন, জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে গণভোট বা অন্য কোনো বিষয়ে আবার প্রতারণা হলে তার কঠিন পরিণতি হবে। তিনি সতর্ক করেন, এমন হলে আগের মতো দমন-পীড়নের পরিস্থিতি ফিরে আসতে পারে।
সরকারি দলের উদ্দেশে তিনি বলেন, গণভোটের বিরোধিতা করা মানে জনগণের বড় অংশের মতামত অস্বীকার করা। তিনি দাবি করেন, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ গণভোটের পক্ষে রয়েছে এবং তাদের মতামত উপেক্ষা করা হলে জনগণই তা বাস্তবায়নে এগিয়ে আসবে।