ঢাকার দোহার উপজেলার দোহার পৌরসভার জেলেদের সরকারি সহায়তার ভিজিএফ (ভাত ও খাদ্য সহায়তা) বরাদ্দকৃত চাল কম দেওয়ার সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং পৌর প্রশাসক উপস্থিত থেকে বিষয়টি হাতেনাতে দেখেন।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপস্থিত সুবিধাভোগী জেলেরা এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। জাটকা মৌসুমে জাটকা ধরা থেকে বিরত থাকা ৩০ জন জেলেকে ৪০ কেজি করে সরকারি খাদ্য সহায়তার চাল বিতরণের সময় বালতি দিয়ে চাল ওজন দেওয়া হয়েছিল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাঈদুল ইসলাম। তিনি বলেন, বালতি দিয়ে ওজন না করে ডিজিটাল স্কেলে ওজন করার নির্দেশ দেওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে স্কেলের ব্যবস্থা করা হয়। তবুও ৪০ কেজি চালের মধ্যে ২ কেজি কম পাওয়া যায়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাঈদুল ইসলাম পৌরসভার কর্মকর্তাদের সঠিক ওজন এবং নিয়মিত স্কেল ব্যবহারের মাধ্যমে সঠিক চাল বিতরণের বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। জেলেরা জানান, প্রথম কিস্তির চালও বালতি দিয়ে ওজন করার কারণে কম পেয়েছিলেন এবং প্রতিবাদ করলে নানা ধরনের হেনস্তার শিকার হতে হয়।
দোহার পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী এম এম মামুনুর রশীদ বলেন, “বিতরণের পর যদি চাল বেশি থাকে, তা পৌরসভার মাস্টার রুলে যারা চাকরি করেন তাদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাঈদুল ইসলাম জানান, চাল কম দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তিনি প্রথমবার সতর্ক করেছেন এবং পুনরাবৃত্তি হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।