বামপন্থী দলগুলো তাদের নতুন জোট ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’-এর ঘোষণা দিয়েছে, যা দুর্নীতি ও শোষণের বিরুদ্ধে এক ন্যায়ের ভিত্তিতে রাজনৈতিক শক্তি গড়ার লক্ষ্যে কাজ করবে। ‘বাম গণতান্ত্রিক জোট’ ও বাংলাদেশ জাসদ আয়োজিত জাতীয় কনভেনশনে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
কনভেনশনে বাম-প্রগতিশীল দল ও সংগঠনগুলোকে নতুন এই জোটে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং ৭ দফা রাজনৈতিক প্রস্তাবও গ্রহণ করা হয়, যার মাধ্যমে আন্দোলন ও সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ২৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত কনভেনশনে বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক বজলুর রশীদ ফিরোজ সভাপতিত্ব করেন। তিনি বলেন, “চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটলেও এখনো দুর্নীতি ও লুটপাটের রাজনীতি চলছে। এই অবস্থায় জনগণের রাজনৈতিক উত্থান জরুরি।”
কনভেনশনে সিপিবি সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ কাফী রতন ও বাসদ (মার্কসবাদী)’র সমন্বয়ক মাসুদ রানা প্রস্তাবিত ৭ দফা তুলে ধরে বলেন, সংকটময় পরিস্থিতি থেকে মুক্তির জন্য বাম প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক সরকারের প্রয়োজন।
‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’ গঠনের মাধ্যমে দেশের জনগণের রাজনৈতিক শক্তি সংগঠিত করার আহ্বান জানানো হয়। কনভেনশনে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবীর জাহিদ এবং আরও অনেক বাম ও প্রগতিশীল নেতা।
এই কনভেনশনের মাধ্যমে একটি ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের অঙ্গীকার হিসেবে ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।