ঢাকাMonday , 2 November 2026
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন ও ন্যায়
  4. খেলা ধুলা
  5. জাতীয়
  6. জীবন যাপন
  7. টাকা বা ডলারের মান হ্রাস বা বৃদ্ধি
  8. ট্রাফিক সার্জেন্টে
  9. ধর্মীয় রীতিনীতি
  10. পার্ক
  11. প্রশাসন
  12. ফিলিস্তিন
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. বিলাসী

দুই দফায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ পুলিশের ধাওয়া-টিয়ারশেল

অনলাইন ডেস্ক
November 2, 2026 4:06 pm
Link Copied!

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো রাজধানীর মিরপুরে বিক্ষোভের চেষ্টা করেছেন পোশাকশ্রমিকরা। তবে দুই দফায় সড়কে নামার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের ধাওয়া দিয়ে সরিয়ে দেয়। এ ঘটনায় গতকাল থেকে সোমবার দুপুর পর্যন্ত মোট ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

#New_Classic_Event_Management

সোমবার (২ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার আবু নাসের রিকাবদার গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মিরপুর গোলচত্বর এলাকায় উপস্থিত হয়ে তিনি বলেন, সোমবার শ্রমিকরা দুই দফায় সড়কে নামার চেষ্টা করেছিলেন। পুলিশ তাদের শান্তিপূর্ণভাবে সরিয়ে দিয়েছে।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল থেকেই মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকদের বিক্ষোভের চেষ্টা ঠেকাতে অভিযান চালায় পুলিশ। সকাল ৯টার দিকে মিরপুর-১৪ নম্বর এলাকায় জড়ো হয়ে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন পোশাকশ্রমিকরা। এ সময় পুলিশ ধাওয়া দিলে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে নিজ নিজ কারখানায় ফিরে যান।

এরপর সকাল ১১টার দিকে মিরপুর-৬ নম্বরের শিয়ালবাড়ী ও পূরবী এলাকার কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় জড়ো হওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে তাদের সরিয়ে দেয়।

এদিকে, আন্দোলন চলাকালে পুলিশের গাড়িতে আগুন ও ভাঙচুরের ঘটনায় একাধিক মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার আবু নাসের রিকাবদার। তিনি বলেন, এসব ঘটনায় আরও মামলা হবে। গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সোমবার দুপুর পর্যন্ত গ্রেপ্তারের সংখ্যা বেড়ে ২৯ জনে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস, উত্তর) মো. মহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের আন্দোলনের সঙ্গে কোনো দুষ্কৃতিকারী যুক্ত হয়ে সড়ক অবরোধ, আইন লঙ্ঘন কিংবা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যারা আইন অমান্য করে জনসাধারণের জানমাল ও রাষ্ট্রীয় সম্পত্তির ক্ষতি করছে, তাদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরিচয় সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অপরাধীদের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো পরিচয় বিবেচ্য নয়। যারা আইন অমান্য করে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা কিংবা রাষ্ট্রীয় সম্পত্তির ক্ষতি করার চেষ্টা করছে, তাদের অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করে আইনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

বিনা অনুমতিতে ডিএন বাংলা ডিজিটালের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায়: মুশান্না কম্পিউটার আইটি