মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন নবনির্বাচিত সিবিএ নেতারা। এ সময় বন্দরের আয় ও রাজস্ব বৃদ্ধি, প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা এবং শ্রমিক-কর্মচারীদের যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়ন নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। গত ১৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত সিবিএ নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থীরা এতে অংশ নেন।
সাক্ষাৎকালে নির্বাচন-পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম, শ্রমিক-কর্মচারীদের বিভিন্ন সমস্যা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। নবনির্বাচিত সিবিএ নেতারা শ্রমিক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন যৌক্তিক দাবি ও সমস্যার কথা চেয়ারম্যানের কাছে তুলে ধরেন। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, কর্মপরিবেশের উন্নয়ন এবং ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে শ্রমিক-কর্মচারীদের যৌক্তিক দাবিগুলো নিয়মতান্ত্রিকভাবে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করা হয়। একই সঙ্গে বন্দর প্রশাসন ও শ্রমিক সংগঠনের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
আলোচনায় বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা বলেন, দেশের অর্থনীতিতে মোংলা বন্দরের কৌশলগত গুরুত্ব রয়েছে। বন্দরের সক্ষমতা ও কার্যক্রম আরও বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে রাজস্ব ও আয় বৃদ্ধির নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করে তা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
বন্দরকে আরও কার্যকর ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে অপচয় রোধ, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং প্রতিটি বিভাগে কাজের গতি বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন চেয়ারম্যান। এ ক্ষেত্রে নবনির্বাচিত সিবিএ নেতাদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে বন্দরের সদস্য (হারবার ও মেরিন), পরিচালক (প্রশাসন), প্রধান প্রকৌশলী (সিভিল ও হাইড্রোলিক্স), পরিচালক (বোর্ড), ঊর্ধ্বতন উপ-ব্যবস্থাপক, উপপরিচালক (জনসংযোগ)সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নবনির্বাচিত সিবিএ নেতাদের সঙ্গে বন্দর কর্তৃপক্ষের এ সৌজন্য সাক্ষাৎ শ্রমিক ও প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় জোরদারে ভূমিকা রাখবে। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি আয় ও রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ সমন্বয় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
