সুন্দরবনের ভোলা নদী থেকে ২৩০ মেট্রিক টন কয়লাবোঝাই ‘হাসান ভান্ডারী’ নামের একটি কার্গোসহ ৯ জনকে আটক করেছে বন বিভাগ। অবৈধভাবে কয়লা পরিবহন ও বনে অনুপ্রবেশের অভিযোগে
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে কার্গোটি আটক করা হয়। জব্দ করা কয়লার বাজারমূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মোংলার জয়মনি এলাকা থেকে কয়লা নিয়ে সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে পিরোজপুরের পাথরঘাটার আমুয়া এলাকায় যাচ্ছিল কার্গোটি। এ সময় বন বিভাগের টহল দল ভোলা নদীতে কার্গোটির গতিরোধ করে। কয়লা কেনার বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় কয়লাসহ কার্গোটি জব্দ করা হয়।
আটক ৯ জনের বাড়ি বাগেরহাটের মোংলা ও মোরেলগঞ্জ, পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়। এ ঘটনায় অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালানের অভিযোগে শরণখোলা থানায় পৃথক দুটি মামলা করেছে বন বিভাগ।
সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো. শরীফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বন কর্মকর্তা শ্যামা প্রসাদ রায় বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা করেছেন। জব্দ করা কয়লা ও আটক ব্যক্তিদের শরণখোলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বন বিভাগের ধারণা, মোংলার জয়মনি এলাকায় নোঙর করা একটি মাদার ভেসেল থেকে অবৈধভাবে এসব কয়লা খালাস করা হয়ে থাকতে পারে। তবে কয়লা খালাসের উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে অবৈধভাবে কয়লা পরিবহন ও বনে অনুপ্রবেশের ঘটনায় বন বিভাগের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
