১৬ই ফেব্রুয়ারী শুক্রবার, একদিকে চলছে কলকাতার বিভিন্ন স্কুলে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা, অন্যদিকে কলকাতার বিভিন্ন ঘাটে প্রতিমার নিরঞ্জন এর পালা, কিন্তু উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা চলায় ,সরকারের নির্দেশ মতো দুপুর একটা থেকে প্রতিমা নিরঞ্জন এর পালা শুরু হয়েছে।, ১টা বাজার সাথে সাথেই, বিভিন্ন ঘাটে ভরে যায় সরস্বতী প্রতিমা নিরঞ্জন করতে আসা পূজো উদ্যোক্তাদের এবং হসপিটাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন কলেজের ছেলে মেয়েদের ভীড় জমায় ও উল্লাস করে।
আগামীকাল ১৫ই ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার থাকায়, বহু প্রতিমা রয়ে যায় বিসর্জন করতে, আজ সমস্ত সরস্বতী প্রতিমা বিসর্জনের জন্য মেতে উঠে স্কুল কলেজের ছেলে মেয়েরা ও হসপিটালে ট্রেনি নার্স থেকে শুরু করে ট্রেনি ছাত্র ছাত্রীরা, আবির মাখার মধ্য দিয়ে তারা সরস্বতী মাকে বিদায় দেয়।
আজ দেখা গেল এস এস কে এম হসপিটাল এর পড়ুয়ারা এবং তিনি নার্সরা বিসর্জন করতে বাবুঘাটে, তাহাদের মধ্যে একটা আলাদা উচ্ছ্বাস দেখা গেল, প্রতিমা বিসর্জন করে জলের মধ্যে তারা উল্লাস শুরু করেন এবং জয়ধ্বনি দেন আসছে বছর আবার হবে।, আবীরে ভরে যায় সারা বাবুঘাট, বাবুঘাটে নদীতে জলের ভাটা পড়ায় , অনেকটা দূরে নামতে হয়েছে বিসর্জন দিতে, প্রশাসনের নজরদারী থাকা সত্ত্বেও তারা সতর্কতার সহিত ,প্রতিমা নিয়ে অনেকটা দূরে গিয়ে বিসর্জন উল্লাস করলেন। আর একটাই বার্তা দিলেন, আসছে বছর আবার হবে।
বিসর্জনে আগত যে সকল ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা এসেছিলেন, কেউ কেউ বলেন আমরা খুব আনন্দ করেছি , সব বন্ধুরা মিলে খুব হই হুল্লোড় করেছি,
আর এক দিক থেকে যে সকল পরীক্ষার্থীর অভিভাবকরা প্রতিমা বিসর্জন দিতে এসেছিলেন, তাহারা জানালেন পুজো করেছি ঠিক, এই ছেলেমেয়েরা এ বছর আনন্দ করতে পারেনি, কারণ তাদের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা, আজ তারা পরীক্ষা দেওয়ার সময় মাকে প্রণাম করে যাওয়ার পরেই, আমরা বিসর্জনের পথে বেরিয়েছি এবং সরস্বতী মাকে বিসর্জন দিয়ে বিদায় জানালাম, আর এই টুকুই প্রার্থনা করলাম,
ছেলেমেয়েদের বুদ্ধি দাও জ্ঞান দাও, ভালোভাবে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার সাহস দাও, পুজো হয়েছে ঠিকই কিন্তু আনন্দ অতটা নাই।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।