কার্বন নির্গমন কমাতে বিশ্বের অনেক দেশ কয়লাভিত্তিক বিভিন্ন কারখানা থেকে সরে আসছিল, কিন্তু গ্যাসের ঘাটতি দেখায় আবার সেদিকেই হাঁটতে শুরু করেছে জার্মানি, অস্ট্রিয়াসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ। খবর আনাদোলু।
গত রোববার জার্মানির অর্থনীতি ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রী রবার্ট হ্যাবেক জানান, নতুন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে জার্মান সরকার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে অগ্রাধিকার দেবে এবং ব্যবহার কমিয়ে আনার মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ বৃদ্ধির চেষ্টা করবে।
হ্যাবেক বলেন, আমরা বিদ্যুৎ খাতে এবং শিল্পে গ্যাসের ব্যবহার কমিয়ে আনব এবং গ্যাসের মজুদ পূর্ণ করার চেষ্টা করব।
ইউরোপের দেশগুলো রাশিয়ার প্রাকৃতিক গ্যাসের উপর নির্ভরতা কমানোর উপায় খুঁজছে। ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে শর্ত পূরণ করতে না পারায় রাশিয়া ইউরোপের বিভিন্ন দেশে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে, কোনো কোনো দেশে কমিয়ে দিয়েছে।
শর্ত পূরণ না করায় এখন পর্যন্ত পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে মস্কো। আবার নিজেদের দেওয়া নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষিতেই ইউরোপের বেশকিছু দেশ ধীরে ধীরে রাশিয়া থেকে তেল-গ্যাস আমদানি কমিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছে।
এমন অবস্থায় ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত জার্মানি বিদ্যুৎ খাতে কয়লা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হাবেক বলেন, এর অর্থ হচ্ছে, ক্রান্তিকালীন সময় কাটাতে আমরা কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। তিক্ত হলেও সত্য, এই পরিস্থিতিতে গ্যাসের ব্যবহার কমানো খুবই প্রয়োজনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জার্মান সরকার গৃহস্থালিতে গ্যাসের ব্যবহার সীমিত করার পরিকল্পনা করেছে এবং শিল্পখাতেও প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার কমাতে একটি প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করছে।
জার্মানি ছাড়াও অস্ট্রিয়ার সরকার এরইমধ্যে কয়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য নতুন চুক্তি করেছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।