মাকসুমুল মুকিমঃ কোভিড-১৯ সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় লকডাউনের ৫ম দিনে নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন এর ভ্রাম্যমান আদালত মোবাইল কোর্টে ৭ জনকে জরিমানা করা হয়েছে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এইচএম সালাউদ্দীন মনজু। কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকারের স্বাস্থ্য বিধি ও সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ঢাকার নবাবগঞ্জে জরুরি সেবার দোকানপাট খোলা ছাড়া অন্যান্য দোকানপাট খোলার দায়ে আজ দুপুরের পর নবাবগঞ্জে ৭ জনকে ৪ হাজার ৫শ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছে মোবাইল কোর্টের ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ রবিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুর আড়াই টার পর নবাবগঞ্জ উপজেলার নবাবগঞ্জ চৌরঙ্গীর সদর স্ট্যান্ড, সাদাপুর, বান্দুরাসহ বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করেন নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এইচএম সালাউদ্দিন মনজু৷ এসময় মোবাইল কোর্টের বিজ্ঞ বিচারক এইচএম সালাউদ্দিন মনজুর পরিচালিত মোবাইল কোর্ট ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বেশ কয়েকটি দোকানদার কে সতর্ক ও ৭ জনকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়৷ সরকারি রশিদ দিয়ে মোবাইল কোর্টের (অর্থ) জরিমানার টাকা আদায় করা হয়৷ এছাড়া গণ ও জনসচেতনতার লক্ষ্যে পথ চারীদের কে অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বাহিরে না আসতে হ্যান্ড মাইকিং করে সবাই কে ঘরে থাকার পরামর্শ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা গণমাধ্যমকে বলেন, সরকারি নির্দেশনা মেনে না চলায় ৭ জনকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। করোনা সংক্রমণ রোধে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে হবে৷ জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাহিরে বের হলেই নেওয়া হবে আইনী ব্যবস্থা৷ তাই নিজে সুস্থ থাকুন, অন্যকে সুস্থ রাখতে উদ্বুদ্ধ করুন। মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ সিরাজুল ইসলাম শেখ পিপিএম।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।