লালমনিরহাটে এলজিইডি’র ৬ কিলোমিটার রাস্তা তৈরিতে ভুল ম্যানুয়েলের কারনে নয় ছয় কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমবি কনস্ট্রাকশন ফলে সরকারি ১ কোটি ৯৩ লক্ষ ১৭ হাজার ৫৩ টাকা ব্যয়ে করা কাজটি কোন উপকারে আসবেনা বলে মনে করেন ঐ এলাকার সচেতন মহল।
লালমনিরহাট এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে ১ কোটি ৯৩ লক্ষ ১৭ হাজার ৫৩ টাকা ব্যয়ে মহেন্দ্রনগর হতে সাপ্টিবাড়ী পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার রাস্তার কাজটি পায় লালমনিরহাটের এমবি কনস্ট্রাকশন।আগের পাকা রাস্তাটি পাওয়ার টিলার দিয়ে উল্টিয়ে সাইডের এজিং ইট তুলে বেড করে রোলার দিয়ে সমান্তরাল করায় পুরোনো ইটের খোয়া গুলো গুড়ো হয়ে যাচ্ছে।তার উপরে পিচ ঠালাই হবে বলে জানা গেছে।ফলে রাস্তাটি টেকসই হওয়া নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে।
৬ কিলোমিটার রাস্তার দু ধারে অসংখ্য ছোট বড় জলাশয় ও পুকুর রয়েছে।যেখানে ম্যানুয়েলে গাইড ওয়াল না থাকায় পুকুর পাড় থেকে মাটি নিয়ে রাস্তার পাড় বাধা হচ্ছে।সামান্য বৃষ্টিতেই ধস নেমে রাস্তাটি ভেঙ্গে যাবে।ফলে সরকারি টাকার সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না বলে মনে করেন সচেতন মহল।
অনুসন্ধানে জানা যায়,লালমনিরহাট সদরে ভালমানের ইঞ্জিনিয়ার না থাকায় কেউ ম্যানুয়েল করতে চায় না।তাই কিছুদিন আগে উন্নয়নের ২ কোটি টাকা ফেরত গিয়েছে।এবারো ফেরত যাবার সম্ভাবনা রয়েছে তাই এলজইডি দায়সারা ম্যানুয়েল করে টেন্ডার করেছে। ফরিংদীঘি এলাকার ছব্বুর আলী সাংবাদিকদের অভিযোগ করে বলেন,আমাদের এলাকার রাস্তাটি খুবই নিম্ন মানের হচ্ছে।কারন,এখানে কোন নতুন কিছুর ব্যবহার দেখছিনা।আগের ঠিকারদার দুই নাম্বার ইট দিয়ে কাজ করেছে।একই কাজ বর্তমান ঠিকাদার করছে।এখানে পুরোনো ইটের উপর রোলার করার ফলে তা তুষে পরিনত হচ্ছে।এর উপর পিচ করলে কিছু দিনের মধ্যেই তা উঠে যাবে। এমবি কনস্ট্রাকশনের প্রপাইটর প্লাবনের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
লালমনিরহাট সদর উপজেলা প্রকৌশলী ওবায়দুর রহমান কোন সাংবাদিকের ফোন ধরেন না।তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। লালমনিরহাট এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফ আলী বলেন,২ কোটি টাকা ফেরত যাবার বিষয়টি ঠিক নয়।আমরা ম্যানুয়েল অনুযায়ী কাজ বুঝে নিবো।এই ৬ কিলোমিটার রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২০ হাজার অধিক মানুষ যাতায়াত করে।রাস্তাটি আরো উন্নত মানের ম্যানুয়েল কেন করা হলো না? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন রোড ম্যানুয়েল
অনুমোদনের নতুন, আগে এটা ইস্টমেন্ট করা হয়েছে।টি অফিস এডুশনাল অফিস
ঢাকা থেকে টিম গঠন করে দেয় সেই মতে কাজ করা হয়, এখানে আমার কোনো কিছু করার নেই ।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।