লালমনিরহাট পৌসভার ৯ নং ওয়ার্ডের মাঝাপাড়া এলাকার কাচামাল ব্যবসায়ি আব্দুর জলিলের লাশ দাফনের ১১ দিন পর ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে তোলা হয়েছে।
জলিল হত্যার অভিযোগে মমিনাও পরকীয়া প্রেমিক রব্বানী বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তার বড় ভাই আব্দুর রশিদ।
কাচামাল ব্যবসায়ি আব্দুর জলিলের লাশ কবরস্থান থেকে সদর উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ফরিদ আল সোহাগ, উপস্থিতিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ সাক্লেল) মারুফা জামাল, সদর থানা অফিসার ইনচার্জ শাহ আলম, ও এস আই ;মাহমুদল নবী , জলিলের লাশ উত্তোলন করে ৷
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ফরিদ আল সোহাগ জানান,আদালতের নির্দেশে ১১ দিন পর জলিলের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের পাঠানো হয়েছে।
ময়নাতদন্ত শেষে জলিলের লাশ তার পরিবারের কাছে হসন্ত করা হবে, সে খানে অনেক লোকের সমাগম ছিল।
মরহুমের বড় ভাই আব্দুর রশিদ ও ছোট ভাই দুলু জানায়,দুজন মিলে আমাদের ভাইকে হত্যা করে। অথচ স্ট্রোক করে ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে বলে নাটকীয় করে। জলিল হত্যার অভিযোগে গত ২১ এপ্রিল রাতে মমিনা ও পরকীয়া রব্বানী জলিল হত্যার পর ইস্টক আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার অভিযোগ করেন,গত ২৭ জুলাই আব্দুর রশিদ প্ররকীয়া মমিনা ও রব্বানী কে আসামি করে মামলা করেন ।
এ মামলার সুষ্ঠ তদন্ত করে অভিযুক্ত আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন মামলার বাদি আব্দুর রশিদ ।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।