কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিট গ্রুপের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে টানা ৩৬ ঘণ্টা রি-গ্যাসিফায়েড লিকুইফায়েড ন্যাচারাল গ্যাস (আরএলএনজি) সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এতে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় পাইপলাইনে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল) জানিয়েছে, আগামীকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার রাত ৮টা পর্যন্ত এ রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম চলবে। গত সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্ধারিত সময়ে সামিটের এলএনজি টার্মিনাল থেকে আরএলএনজি সরবরাহ বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্রিডে মোট এলএনজি সরবরাহ কমে যাবে। ফলে কেজিডিসিএলের আওতাধীন এলাকার সব শ্রেণির গ্রাহক গ্যাসের স্বল্পচাপজনিত সমস্যায় পড়তে পারেন।
কেজিডিসিএল সূত্রে জানা গেছে, সামিটের এলএনজি টার্মিনাল থেকে দৈনিক সর্বোচ্চ ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা রয়েছে। চট্টগ্রামে প্রতিদিন গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। বিপরীতে সরবরাহ পাওয়া যায় প্রায় ২৪৬ মিলিয়ন ঘনফুট বা তারও কম।
মহেশখালীতে অবস্থিত দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডের মাধ্যমে চট্টগ্রামে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। টার্মিনাল দুটি হলো এক্সিলারেট এনার্জি ও সামিট এলএনজি। এ দুটি টার্মিনাল থেকে সম্মিলিতভাবে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সক্ষমতা রয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরেও সামিটের এলএনজি টার্মিনালে একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ পরিচালনা করা হয়েছিল। এবারও নির্ধারিত সময়ের জন্য টার্মিনালটির সরবরাহ বন্ধ থাকায় চট্টগ্রামের আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্পসহ বিভিন্ন শ্রেণির গ্রাহক গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ার ভোগান্তিতে পড়তে পারেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।