চোরবাগানে প্রাণ হারানো সহনাগরিকদের স্মরণে মোমবাতি জ্বালিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন জেন-জি প্রজন্মের সদস্যরা।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় কলকাতার শ্যামবাজার পাঁচমাথার মোড়ে ককরোজ জনতা পার্টির আহ্বানে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজকদের পরিকল্পনা ছিল, শ্যামবাজার পাঁচমাথার মোড় থেকে মোমবাতি মিছিল শুরু করে বাগবাজার সার্বজনীনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। তবে পুলিশের অনুমতি না মেলায় পুলিশের সঙ্গে আলোচনার পর পাঁচমাথার মোড়েই মোমবাতি জ্বালিয়ে মৃতদের স্মরণ করেন তাঁরা।
এদিন দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জনের শেষ দিন হওয়ায় শহরের বিভিন্ন রাস্তা দিয়ে নিরঞ্জনের শোভাযাত্রা বিভিন্ন ঘাটের উদ্দেশে যাওয়ার কথা ছিল।
এই পরিস্থিতিতে মিছিলের অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে জানা যায়। কর্মসূচিকে ঘিরে আগে থেকেই এলাকায় প্রচুর পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্য মোতায়েন ছিলেন।
আয়োজকদের বক্তব্য, এই কর্মসূচি কোনও রাজনৈতিক মিছিল নয়; বরং প্রাণ হারানো সহনাগরিকদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাঁদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর একটি উদ্যোগ। তাঁরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের শাস্তি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে থাকার দাবি জানান।
তাঁদের আরও বক্তব্য, সরকার ইতিমধ্যে যে পদক্ষেপগুলি গ্রহণ করেছে, সেগুলি যেন নিরপেক্ষভাবে কার্যকর করা হয় এবং দ্রুত ও সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য সামনে আসে।
তাঁরা নিজেরাও মৃতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবেন বলে জানান।
আয়োজকরা বলেন, সামান্য ভুল ও গাফিলতির কারণে এতগুলি প্রাণ চলে যাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়, সে বিষয়ে সরকারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
বিশেষ করে পুজোর আগে বিভিন্ন দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের যথাযথ যাচাই-বাছাই ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের পরই প্রয়োজনীয় অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা।
দ্রুত তদন্ত শেষ করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা এড়াতে প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে—এমনটাই প্রত্যাশা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।