ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার গালিমপুর ইউনিয়নের সূর্য খালী আদর্শ গ্রামে ২৮ বছরেও লাগেনি উন্নয়নের ছোঁয়া। গ্রামের কয়েকশ পরিবার এখনো উন্নত সড়কসহ বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে গ্রামের প্রধান সড়ক পাকা করা এবং বসবাসরত সরকারি খাসজমি নিজেদের নামে রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
২০ অক্টোবর মঙ্গলবার বিকালে সরজমিনে গেছে স্থানীয়দের অভিযোগ করে বলেন, প্রায় ২৮ বছর আগে আদর্শ গ্রাম হিসেবে গড়ে ওঠে সূর্য খালী। কিন্তু এত বছর পেরিয়ে গেলেও গ্রামের প্রধান সড়কটি কাঁচা রয়ে গেছে। বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে হাঁটুপানি জমে যায়। এতে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় গ্রামবাসীকে।
বিশেষ করে অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নেওয়ার ক্ষেত্রে ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে সময়মতো চিকিৎসাসেবা পাওয়া নিয়েও উদ্বেগে থাকেন বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে এমন পরিস্থিতি চললেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
এদিকে গ্রামের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন স্থানীয় তরুণ মো. সোহেল। নিজ উদ্যোগে তিনি গ্রামের মসজিদ ও মাদ্রাসায় আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করতে টিউবওয়েল স্থাপনসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর এসব উদ্যোগে কিছুটা হলেও উপকৃত হচ্ছেন গ্রামবাসী।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে গ্রামে বসবাস করলেও তাঁদের মৌলিক সমস্যা এখনো সমাধান হয়নি। বিশেষ করে যাতায়াতের দুর্ভোগ কমাতে গ্রামের প্রধান সড়কটি দ্রুত পাকা করা জরুরি। পাশাপাশি প্রায় ২৮ বছর ধরে যে সরকারি খাসজমিতে তাঁরা বসবাস করছেন, সেই জমি তাঁদের নামে রেজিস্ট্রি করে দেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে। দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব এবং বসবাসের জমি নিয়ে অনিশ্চয়তা নিরসনে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন সূর্য খালী আদর্শ গ্রামের বাসিন্দারা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।