বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় মৎস্য খামারে কর্মরত নারী শ্রমিকদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রামপাল উপজেলা অফিসার্স ক্লাবের সম্মেলন কক্ষে উন্নয়ন সংস্থা ‘ওয়াদা’র আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রকল্পটিতে অর্থায়ন করছে দাতা সংস্থা ‘এজেন্স ফ্রাঙ্কাইজ ডি ডেভেলপমেন্ট’ (AFD)। এতে সহযোগিতা করছে ঢাকা উইমেনস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ।
ওয়াদা’র প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. আল-আমীন সরদারের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ তামান্না ফেরদৌসি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইনসাদ ইবনে আমিন, রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুব্রত বিশ্বাস, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় এবং কোডেক এনজিওর ফোকাল পার্সন সৈয়দ মাহবুব রহমান সুজন।
এ ছাড়া সভায় ওয়াদা’র মনিটরিং অফিসার মো. ফয়সাল হাওলাদার, ফিল্ড অফিসার নুর নাহার খাতুন ও মাহমুদ আক্তার বর্ষাসহ সমাজসেবা, মহিলা বিষয়ক ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ইউপি নারী সদস্য, মৎস্য ঘেরের মালিক, শিক্ষক, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা এবং মৎস্য খামারে কর্মরত নারী শ্রমিকরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ তামান্না ফেরদৌসি বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলের জীবন-জীবিকা এমনিতেই থমকে গেছে। বাগেরহাটের রামপাল উপকূলে বিশেষ করে নারী ও শিশুরা চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। স্বাস্থ্যঝুঁকিসহ সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় উপকূলের জীবন-জীবিকার মানোন্নয়নে সরকারকে নতুন নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।”
সভায় বক্তারা বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের নারী শ্রমিকরা এখনো বিভিন্ন ধরনের বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে তারা ন্যায্য মজুরি থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা ও নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ওয়াদা’র উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বক্তারা উপকূলীয় নারী শ্রমিকদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির দাবি জানান।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।