বাগেরহাটের মোংলায় মাছ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ১৩ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে সুমন নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে মোংলা থানা পুলিশ। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। গ্রেফতার আসামিকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ আগস্ট দুপুর ১টার দিকে মোংলার সিগন্যাল টাওয়ার এলাকার একটি মৎস্যঘেরের পাড়ে এ ঘটনা ঘটে। মাছ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে সেখানে নিয়ে যান সুমন। পরে জনৈক মো. রিয়াজুল আলিমের মৎস্যঘেরের পাড়ে তাকে শুইয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ পরিবারের।
মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান, গত ১৬ আগস্ট দুপুর ১টার দিকে সুমন ওই কিশোরীকে মাছ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ঘেরের পাড়ে নিয়ে যান। সেখানে কিশোরীর মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনা কাউকে না জানানোর জন্য তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয় বলেও জানান তিনি।
ওসি বলেন, ঘটনার পর কিশোরী প্রথমে বিষয়টি কাউকে জানায়নি। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তার মামিকে বিষয়টি জানায়। মামি জিজ্ঞাসা করলে কিশোরী তাকে জানায়, অভিযুক্ত তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে।
অভিযোগ পাওয়ার পরপরই মোংলা থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সুমনকে গ্রেফতার করে। ওসি আতিকুর রহমান জানান, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতার আসামিকে আদালতে পাঠানো হবে।
এদিকে,ঘটনার পর অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা কিশোরীকে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে মোংলা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত বিচার দাবি করে বলেন, “দোষীর বিচার দ্রুত হতে হবে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যেও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা এ ঘটনায় দ্রুত আসামির বিচার দেখতে চান। একই সঙ্গে তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
মামলার পর আসামিকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।