ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় ক্রয়কৃত জমি জোরপূর্বক দখল এবং পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা ও মানহানিকর অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক প্রভাবশালী প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার।
১১ জুলাই শনিবার দুপুরে নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন ভুক্তভোগীরা। এর আগে ভুক্তভোগীর পক্ষে মো. হাবিব বাদী হয়ে নবাবগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
সংবাদ সম্মেলন ও লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাহ্রা ইউনিয়নের বড় বলমন্তচর গ্রামের বাসিন্দা মো. কালু চৌকিদারের কাছ থেকে ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকায় ৪ শতাংশ জমি ক্রয় করেন একই এলাকার বাসিন্দা ও বর্তমানে প্রবাসী নূরুল ইসলাম (৩০)। অভিযোগ অনুযায়ী, নূরুল ইসলাম বিদেশে অবস্থান করায় প্রতিবেশী মো. মোস্তফা (৫০) ও তার ছেলে মো. নিহাদ (২২) জমিটি জোরপূর্বক দখলে রাখেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সালিশ-বিচারের মাধ্যমে জমিটি ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হলেও অভিযুক্তরা তা মানেননি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, গত ১০ জুলাই সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং জমির মূল বিক্রেতা মো. কালু চৌকিদারের উপস্থিতিতে প্রবাসী নূরুল ইসলামের ক্রয়কৃত জমি থেকে অভিযুক্তদের নির্মিত অবৈধ ঘর সরিয়ে দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মো. হাবিব অভিযোগ করে বলেন, জমি থেকে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে দেওয়ার পর অভিযুক্ত মো. নিহাদ বিদেশ থেকে ফেসবুক লাইভ ও বিভিন্ন পোস্টের মাধ্যমে জমির ক্রেতা, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং তাদের পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর অপপ্রচার চালিয়ে আসছেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা দেশে ফিরে যে কোনো সময় তাদের জানমালের ক্ষতি করতে পারেন—এমন আশঙ্কায় পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে। এ কারণে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটি নিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছে পুলিশ। অভিযোগটি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।