গত কয়েকদিনে প্রকৃতি তার ভিন্ন রূপ দেখিয়েছে। চলমান বৈশাখ মাসে দেশের বেশিরভাগ এলাকায় কালবৈশাখী ঝড় হয়েছে। যদিও সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে তীব্র গরম কিছুটা কমে স্বস্তি ফিরেছে, তবুও ঝড়ের আশঙ্কা এখনও রয়ে গেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা এখনও ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাত ১টার মধ্যে দেশের ১১ জেলায় ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে।
আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম জানান, এই সময়ে রংপুর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬১ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এছাড়া দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও একই সময়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় কিশোরগঞ্জের নিকলিতে সর্বোচ্চ ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া ভোলায় ১৫১ মিলিমিটার, ফেনীতে ১৪৮ মিলিমিটার, ময়মনসিংহে ১১৫ মিলিমিটার, পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় ১১৪ মিলিমিটার এবং কুমিল্লায় ১০৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনে বৃষ্টির প্রবণতা কমতে পারে এবং তাপমাত্রা আবার বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।