ঢাকার দোহারের নারিশা ও মুকসুদপুরে পদ্মানদীর তীরবর্তী এলাকায় কাটার বসিয়ে অবৈধ বালু উত্তলন বন্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে|
বুধবার রাতভর অভিযান পরিচলানা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাসফিক সিগবাত উল্লাহ|
এসময় জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে বালু ব্যবসা পরিচালনার দায়ে ভ্রাম্যমান আদালতে ২২ জনকে ৭দিনের কারাদণ্ড ও শরিয়ত উল্লাহ নামে এক ব্যবসায়ীর প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়|
এসময় রাস্তার পাশে জনদুর্ভোগ রোধে খন্দকার শাহিন মাহমুদ ও আরিফ হোসেনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠনের বালু সরিয়ে নিতে তিন দিনের আল্টিমেটাম দেয়া হয়|
পরে পদ্মা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তলন বন্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়| অভিযানে সহায়তা করেন আনসার ও দোহার থানা পুলিশ|
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাসফিক সিগবাত উল্লাহ বলেন, দোহারের নারিশা ও মুকসুদপুর এলাকায় জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে বালু ব্যবসা বন্ধে অভিযানে ২২ জনকে জেল ও একজনকে জরিমানা করা হয়েছে|
পদ্মায় অবৈধ বালু উত্তলন বন্ধে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে|
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।