জগন্নাথপুরে আইফোন মোবাইল চুরির অপরাধে ইকবাল (৫৫) নামক এক সাবেক শিক্ষককে গণধোলাইয় দিয়ে থানা পুলিশে হস্তান্তর করেন স্থানীয় জনতা। পরে তাকে চুরি করবেনা মর্মে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
২০ই এপ্রিল সোমবার জানাযায়, সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার টংগর গ্রামের বাসিন্দা বর্তমানে জগন্নাথপুর পৌর শহরস্থ কামাল কমিউনিটি সেন্টারে ভাড়ায় বসবাসকারী ইকবাল খান(৫৫) জগন্নাথপুর পৌর এলাকার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করাকালীন সময়ে নানাবিধ অনিয়ম এর কারনে দীর্ঘ প্রায় বছর দশেক আগে এই বিদ্যালয় থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়। এর পর থেকে সে জগন্নাথপুর পৌর এলাকায় চুরি ও দালালীর মতো অপকর্ম করে আসছিল।
এমনকি মোবাইল চুরির ঘটনায় একাধিকবার ধরা খেয়ে মোবাইল এর মালিকদের হাতে পায়ে ধরে এমন কাজ আর করবেনা বলে পার পায়।
বিগত ১৮ এপ্রিল স্বরূপ চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্টান থেকে জগন্নাথপুর পৌর শহরের পূর্বভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা বিএনপি নেতা দিলু মিয়ার চাচা যুক্তরাজ্য প্রবাসীর প্যান্টের পকেট থেকে দুই লাখ টাকা সমপরিমাণ মূল্যের আইফোন মোবাইল খোয়া যায়।
বিদ্যালয়ের সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ এর মাধ্যমে মোবাইল চোর কথিত ইকবাল খান (৫৫) কে শনাক্ত করে বিগত ১৯ শে এপ্রিল দিবাগত রাত প্রায় ৯ ঘটিকায় কামাল কমিউনিটি সেন্টারে তাকে আটক করে জনতা গণধোলাই দিলে সে মোবাইল চুরির কথা স্বীকার করে এবং মোবাইল ফোনটি ফেরত দেয়।
পরে জনতা কথিত চোর ইকবাল খানকে জগন্নাথপুর থানা পুলিশে হস্তান্তর করেন। চুরি করা ছেড়ে দিয়ে জগন্নাথপুর ছেড়ে চলে যাবে বলে থানায় অঙ্গীকার নামা অর্থাৎ মুছলেকা দিয়ে ছাড় পেয়েছে।
জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শফিকুল ইসলাম এবিষয়ের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ইকবাল খান নামক এক মোবাইল চোরকে স্থানীয় জনতা থানায় হস্তান্তর করেছিলেন।
সে আর কখনো এধরণের কাজ করবেনা বলে অঙ্গীকার নামা ( মুচলেকা) দিয়েছে। তাই তাকে শুধরনোর জন্য মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।