লেবাননে বুধবার ইসরায়েলি হামলার সবচেয়ে বড় দিন হিসেবে রেকর্ড হয়েছে। বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ জানায়, অন্তত ২৫৪ জন নিহত এবং ১১০০-এর বেশি আহত হয়েছেন। সবচেয়ে বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটে রাজধানী বৈরুতের মধ্যে, যেখানে ৯১ জন প্রাণ হারান। তবে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মৃতের সংখ্যা ১৮২ জন জানিয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানী বৈরুতে বিকেলে একের পর এক অন্তত ৫টি হামলা চালানো হয়। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা হিজবুল্লাহর ১০০টিরও বেশি কমান্ড সেন্টার ও সামরিক ঘাঁটিতে আক্রমণ চালিয়েছে।
৯ই এপ্রিল বৃহস্পতিবার ভোরে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে মানারা কিবুতজটিতে রকেট হামলা চালায়। দলটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ইসরায়েলি-মার্কিন আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।”
মার্চে শুরু হওয়া এই সংঘাতের সবচেয়ে ভয়াবহ দিন ছিল বুধবার। ইরানের সমর্থনে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে গুলি চালানোর পর ইসরায়েল বিমান ও স্থল অভিযান শুরু করে। বেসামরিকদের উদ্ধারে যথেষ্ট অ্যাম্বুলেন্স না থাকায় আহতদের মোটরসাইকেল বা অন্যান্য মাধ্যমে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক বলেন, “লেবাননে আজ যে হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে, তার মাত্রা ভয়াবহ।”
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, লেবানন এই যুদ্ধবিরতির আওতায় নেই। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও বলেন, “ইরানিরা ভেবেছিল লেবাননও অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু তা ছিল না।”
হিজবুল্লাহ বুধবার ভোরে ইসরায়েলের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা বন্ধ করে, তবে অভিযোগ করেছে ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে এবং সারা লেবানন জুড়ে গণহত্যা চালিয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।