দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এবং সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যস্ত সময় পার করছে চট্টগ্রাম বন্দর। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), এলপিজি ও তেলবাহী মোট ৩৪টি জাহাজ বন্দরের বহির্নোঙর ও জেটে অবস্থান করেছিল। এর মধ্যে ২৭টি জাহাজ ইতিমধ্যে পণ্য খালাস শেষ করে বন্দর ত্যাগ করেছে।
বন্দর সূত্র জানিয়েছে, সফলভাবে খালাস সম্পন্ন করা জাহাজগুলোর মধ্যে কাতার ও অস্ট্রেলিয়া থেকে আসা এলএনজি জাহাজ আল জুর, লুসাইল ও প্রাচী রয়েছে। এছাড়া ওমান, মালয়েশিয়া ও ভারত থেকে আসা এলপিজি জাহাজ মর্নিং জেন, এপিক সান্টার এবং সিঙ্গাপুর থেকে আসা গ্যাস অয়েলবাহী জাহাজ গ্রান কুভা তাদের কার্যক্রম শেষ করে বন্দরে ত্যাগ করেছে।
বর্তমানে তিনটি জাহাজ খালাস প্রক্রিয়ায় যুক্ত বা অপেক্ষমাণ। এর মধ্যে ওমান থেকে আসা বিডব্লিউইকে বর্নহোম (এলপিজি) সীতাকুণ্ড পয়েন্টে, থাইল্যান্ড থেকে আসা এবি অলিভিয়া (বেইস অয়েল) বন্দরের ডিওজে/৪ জেটে এবং সিঙ্গাপুর থেকে আসা গ্রান কুভা (গ্যাস অয়েল) কুতুবদিয়া পয়েন্টে অবস্থান করছে।
আগামী কয়েক দিনে আরও চারটি বড় জাহাজ বন্দরে ভেড়ার অপেক্ষায় আছে। কাতার থেকে আসা এইচএল পাফিন (এলএনজি) গতকাল পৌঁছার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত পৌঁছেনি। ইন্দোনেশিয়া থেকে আসা নিউ ব্রেভ (এলএনজি) আজ বন্দরে পৌঁছাবে। সিঙ্গাপুর থেকে আসা পিভিটি সোলানা (গ্যাস অয়েল) ৩১ মার্চ এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা সেলসিয়াস গ্যালাপাগোস (এলএনজি) ৪ এপ্রিল বন্দরে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানিয়েছেন, “জ্বালানি পণ্যবাহী জাহাজগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্থিং সুবিধা দিচ্ছি। দেশের বর্তমান জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ২৪ ঘণ্টা অপারেশনাল কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে। এসব জাহাজের আগমন ও দ্রুত খালাস দেশের শিল্প উৎপাদন ও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।