মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কার মধ্যে ইরান সরকার প্রশাসনিক স্থবিরতা কাটাতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। আগামী রোববার থেকে সরকারি মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলো পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরান প্রদেশে প্রথম ধাপে প্রায় ২০ শতাংশ সরকারি কর্মকর্তা সশরীরে অফিসে উপস্থিত হয়ে দায়িত্ব পালন করবেন। নিরাপত্তার কারণে আপাতত শুধুমাত্র পুরুষ কর্মীদের দপ্তরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নারীরা বাসা থেকে দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা করবেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর পর থেকে ইরানের প্রশাসনিক ব্যবস্থা সংকটে পড়লেও জরুরি সেবাগুলো চালু ছিল। নতুন নির্দেশনায় ব্যাংক ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কর্মস্থলে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আকাশপথের ঝুঁকি পুরোপুরি কাটেনি, তবে এমিরেটস ও ইতিহাদ এয়ারলাইনস সীমিত আকারে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেছে।
প্রাদেশিক প্রশাসন জানিয়েছে, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা সশরীরে দপ্তরে এসে প্রশাসনিক কাজের গতি ফিরিয়ে আনবেন। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এতদিন শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা চালু থাকলেও এখন সব সেক্টর সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইরান সরকারের মতে, দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটানো জাতীয় অর্থনীতির জন্য জরুরি।
আন্তর্জাতিক ফ্লাইটও সীমিত আকারে পুনরায় শুরু হয়েছে। এমিরেটস এয়ারলাইনস একদিনে প্রায় ৩০ হাজার যাত্রীকে বিভিন্ন গন্তব্যে পৌঁছে দিয়েছে। এছাড়া ইন্ডিগো, এয়ার ইন্ডিয়া ও ইতিহাদ এয়ারলাইনসও মধ্যপ্রাচ্যের ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সতর্কতা বজায় থাকলেও এই প্রচেষ্টা যুদ্ধের মধ্যে ইরান ও অঞ্চলের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।