ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামিনী–এর মৃত্যুর খবরের পর বিশ্বজুড়ে মুসলিম সমাজে শোকের ছায়া নেমেছে। চার দশকেরও বেশি সময় ইরানের রাজনীতি, ধর্মীয় নেতৃত্ব ও আঞ্চলিক কৌশলের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে থাকা এই নেতার মৃত্যু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু করেছে।
এই পরিস্থিতিতে প্রখ্যাত আলেম দেলওয়ার হোসেন সাঈদী–এর একটি পুরনো বক্তব্য আবার ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে তিনি মুসলিম বিশ্বের দুর্বলতার মূল কারণ হিসেবে পারস্পরিক বিভক্তি ও ঐক্যের অভাবকে দায়ী করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মুসলিম সমাজ ও ওলামারা যখন ঐক্যবদ্ধ ছিলেন, তখনই তারা বিজয় অর্জন করেছেন; আর বিভক্তি তাদের পতনের কারণ হয়েছে।
ভিডিওতে সাঈদী ইরানের নেতৃত্বের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ারির মুখেও ইরানের নেতৃত্ব আপস করেনি। বিশেষ করে দূতাবাস-সংক্রান্ত সংকটের সময় যুক্তরাষ্ট্র খাদ্য ও রসদ সরবরাহ বন্ধের হুমকি দিলে আয়াতুল্লাহ আলী খামিনী দৃঢ় অবস্থান নেন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, খামিনীর নেতৃত্বে ইরান সামরিক ও কৌশলগতভাবে মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাবশালী শক্তিতে পরিণত হয়েছিল। ফলে তার মৃত্যু শুধু ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেই নয়, গোটা অঞ্চলের কৌশলগত ভারসাম্যেও প্রভাব ফেলতে পারে।
খামিনীর মৃত্যু-পরবর্তী বাস্তবতায় মুসলিম বিশ্বের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব, ঐক্য ও ভূরাজনৈতিক অবস্থান এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।