ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর প্রতিবেশী দেশ ইরাক ও পাকিস্তান–এ মার্কিন কনস্যুলেট ভবনে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
খামেনি হত্যার প্রতিবাদে ০১ মার্চ রোববার পাকিস্তানের করাচী শহরে বিক্ষোভ হয়। বিক্ষোভকারীরা মার্কিন কনস্যুলেটে প্রবেশের চেষ্টা করলে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বাধে। এ ঘটনায় ৯ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ইরাকে মার্কিন দূতাবাসে আগে থেকেই নিরাপত্তা জোরদার ছিল। ০১ মার্চ রোববার সকাল ১১টার দিকে শত শত মানুষ দূতাবাসের সামনে জড়ো হন। তাদের অনেকের পরনে ছিল কালো পোশাক এবং হাতে ছিল লাঠি ও পাথর। একপর্যায়ে নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়। পরে নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া আলী নামে এক ব্যক্তি বার্তা সংস্থা এএফপি–কে বলেন, তারা ইরাক থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে উৎখাত করতে চান এবং সেই উদ্দেশ্যেই সেখানে জড়ো হয়েছেন।
এদিকে করাচীর প্রধান সার্জন সুমাইয়া সৈয়দ জানিয়েছেন, কনস্যুলেটে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয় এবং এতে নয়জন নিহত হন। তবে পুলিশ কর্মকর্তারা এখনো মৃত্যুর সঠিক কারণ বা চূড়ান্ত সংখ্যা নিশ্চিত করেননি। এর আগে নিহতের সংখ্যা ছয়জন বলা হয়েছিল।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।