ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা বিষয়ে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে দেশের সব রিটার্নিং অফিসারের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৬ অনুযায়ী প্রার্থী, তার নির্বাচনী এজেন্ট অথবা তাদের পক্ষে অন্য কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালাতে পারবেন। তবে প্রচার কার্যক্রম শুরুর আগে ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইলসহ সংশ্লিষ্ট সব শনাক্তকরণ তথ্য সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দিতে হবে।
এ ছাড়া আচরণ বিধিমালার বিধি ২২-এর (২) অনুযায়ী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনসংক্রান্ত কনটেন্ট তৈরি, বিজ্ঞাপন, বুস্টিং ও স্পন্সরশিপসহ সব ধরনের প্রচার ব্যয় মোট নির্বাচনী ব্যয়ের অংশ হিসেবে গণ্য হবে। এসব ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব নির্বাচন কমিশনে দাখিল করতে হবে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচালিত যে কোনো ধরনের প্রচার-প্রচারণার ব্যয় অবশ্যই নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করে রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দিতে হবে।
এ পরিস্থিতিতে আচরণবিধির সব নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের অনুরোধ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি কোন রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী কোন কোন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছে—সে সংক্রান্ত তথ্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখায় পাঠানোর জন্য রিটার্নিং অফিসারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।