সাধন রায় (লালমনিরহাট প্রতিনিধি) লালমনিরহাট চরগুকুন্ড ইউনিয়নের মাইদুল ইসলাম তার পিতার ক্রয়কৃত সম্পত্তির চাইতে গেলে তাকে ও তার
বাবা মায়ের সামনে বেধরক মারধর করা, মামলা তুলে নেয়ার বিষয়ে বিভিন্ন ধরনে চাপ প্রয়োগ করাসহ জমি চাষাবাদ করতে গেলে প্রাণ নাশের হুমকী এবং বিভন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখান।
মোঃ আব্দুল সাত্তার(৬০) ও ফজল হক(৩০) মোঃকফিল মিয়া(২৮) মোছাঃজাহানারা বেগম (৫০) আব্দুল সাত্তার প্রায় বেশ কিছুদিন যাবত আমাদের জমি নিয়ে বিরোধ চলিয়া বিবাদী গন আমার নামে সম্পত্তি বেআইনি ভাবে দখল করিয়া রইয়াছ, মাইদুল ইসলাম আব্দুল সাত্তার কাছে নামিও সম্পত্তি ছাড়িয়া দেওয়ার জন্য অনুরোধ করলেও তারা কথায় কর্নপাত না করিয়া আমাকে প্রানে মারা হুমকি দেন আব্দুল সাত্তার ও তার ছেলে /বউ।মাইদুল ইসলাম তার নিজের সম্পত্তি জমিতে চাষ করতে গেল সেখানে তাদেরকে প্রানের মারা হুমকি দেন আব্দুল সাত্তার। ২০০০ সালে দুটি দলিল মূলে মোট ৩৯ শতাংশো জমি ফুল গাজী ও আর্শ্বেদ গাজীর নিকট থেকে ক্রয় করেন।
সরকারের সমস্ত খাজনাদি পরিশোধক্রমে নির্দিষ্ট সীমানায় শান্তিপূর্ণভাবে দীর্ঘ ১৯ বৎসর যাবত ভোগদখল করে আসছেন। দীর্ঘ ৯ বছর পর প্রতিপক্ষদ্বয় গোপনে সেল দলিলের মাধ্যমে উক্ত জমির বি.এস রেকর্ড করে ক্ষমতার অপব্যবহার কওে দখল নেয়ার চেষ্ঠা চালায়.অথচ বি.এস রেকর্ডের ৩০ ধারার মাঠ জড়িপে সাবেক এস.এ দাগ ৮১৮৭ যা এর সম্পূর্ন জমি আমাদের অনুকুলে থাকলেও বি.এস রেকর্ডের ৩১ ধারার ফাইনাল পর্চা প্রতিপক্ষের নামে কিভাবে আসলো তা আমার বোধগম্য নয়।
আমার বাবার ক্রয়কৃত উক্ত জমিতে চাষ করতে গেলে আব্দুল সাত্তার ও তার ছেলে/ বউ বাধা দেই, এক পর্যায় আমাদেরকে লাঠি সঠা দিয়ে বেধরক মারধর করে। আমার চিৎকার চেচামেচি শুনে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে করেন,মাইদুল ইসলাম ও তার বাবা বলেন আমরা কারো জায়গা দখল করি নাই। আমাদের জায়াগাই আমরা চাষ করবো অন্য কারো জায়গায় নয়।
লালমনিরহাট সদর থানা অফিসার ইনর্চাস (শাহ-আলম) বলেন এ বিষয় তদন্ত চলছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।