নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা দোহারে মহামারী করোনার ভাইরাস কে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে অবাদেই রাস্তায় চলাচল করছেন সাধাীণ জনগণ। উল্লেখ্য সারাদেশে যখন মহামারী করােনা সংক্রমণ বৃদ্ধি ও সর্বোচ্চ মৃত্যুর হার বেড়ে যাওয়ার দৃশ্য্য পর্যবেক্ষন করার পরও ঢাকার দোহার উপজেলায় সাধারণ মানুষের ভিড় বেড়েই চলছে । কিন্তু করােনা সংক্রমণ রােধে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মানছে না কেউ। নিয়ম না মেনে জনসমাগম করায় করােনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে ধারণা করছে চিকিৎসকরা। ১২ এপ্রিল সোমবার দোহার উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বেশির ভাগ মানুষ স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই রাস্তায় ঘােরাঘুরিসহ তাদের প্রয়ােজনীয় কাজ, পহেলা বৈশাখ ও ঈদের শপিং করছেন এবং সামাজিক দূরত্বের তােয়াক্কা না করেই দোকানে বসে দিচ্ছে আড্ডা। তাদের মধ্যে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ রােধের সতর্কতা নেই বললেই চলে। হাত না ধুয়ে যানবাহনসহ বাজার ও দোকানে চলছে মহামারী করোনা সংক্রমণের মাএা বেড়ে যাবার সম্ভাবন দিন দিন বেড়েই চলছে। এ ব্যাপারে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাে. জসিম উদ্দিন বলেন, মানুষের সচেতনতাই পারে করােনা সংক্রমণ রােধ করতে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে করােনার দ্বিতীয় প্রকোপ আরাে ভয়াবহ ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বলেন, মানুষ চলাফেরায় মাস্ক ব্যবহার ও সামাজিক দূরত মানছে না কেউ। সারাদেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণ ও বেড়ে যাওয়ায় বৃহত্তর জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে সরকার নানাবিধ প্রদক্ষেপ গ্রহণ করছেন। এইব্যাপারে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাে. জসিম উদ্দিন বলেন, মানুষের সচেতনতাই পারে করােনা সংক্রমণ রােধ করতে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে করােনার দ্বিতীয় প্রকোপ আরাে ভয়াবহ ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বলেন, মানুষ চলাফেরায় মাস্ক ব্যবহার ও সামাজিক দূরত্ব মানছে না কেউ। সারাদেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণ ও মৃত্যু হার বেড়ে যাওয়ায় বৃহত্তর জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে সরকার লটডাউন ঘােষণা করেছে। এই পরিস্থিতিতে জনগণকে সচেতন করার লক্ষ্যে নিয়মীত অভিযান পরিচালনা করছে উপজেলা প্রশাসন। দোহার উপজেল ম ফিরােজ মাহমুদ বলেন, সরকারি নিয়ম-নীতি অনুযায়ী আমরা প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করছি। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দিচ্ছি। লকডাউন ও স্বাস্থ্যবিধি না মানলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানার হার আরও বাড়িয়ে দেয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।