সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার নানাপুর চড় অবস্থিত ফসলি জমি থেকে ১৪ ই আগষ্ট রোজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ঃ ০০ ঘটিকার সময় ০৮ বিঘা জমির পরিপক্ক পাট কেটে যায় একদল ভূমি খেকো ৩৫ সদস্যের ডাকাত দল। ডাকাতি করা পাটের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১০ লক্ষ টাকা।
এই ডাকাতের সাথে অভিযুক্তরা হল, সাইদুল ইসলাম ৫০, শহিদুল ইসলাম ৪৮, রফিকুল ইসলাম ৪৬, মোঃ বাবু ৪৪, হাফিজুল ইসলাম ৩২ সর্ব পিতা মৃত রহিম বক্স সহ অজ্ঞাত ৩৫ জন ডাকাত সদস্য উপস্থিত থেকে সকাল ৬ ঘটিকা হতে বেলা ১২ ঘটিকার মধ্যে পাট কেটে নিয়ে তাদের বাড়িতে চলে যায়।
পাট কাটার খবর পেয়ে জমির মালিক আঃ হাকিম প্রাং ও তার ছোট ভাই হাবিবুল্লাহ শামিম প্রাং বেলকুচি থানার পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিকদের সাথে নিয়ে ঘটনা স্থলে যাওয়ার আগেই তারা কৌশলে পাট নিয়ে সেখান থেকে চলে যায়। পরবর্তিতে সাংবাদিক ও পুলিশ সহ সেই পাটের সন্ধানে গন্তব্যস্থলে চলে যায়। এবং সেখানে পাট সহ তাদের সবাই কে উপস্থিতি পায়। সাংবাদিকের কাছে সাক্ষাৎকার পাট কাটার কথা স্বীকার করেন।
তথ্য সূত্রে জানা যায় ওই পাটের জমি নিয়ে বাদী ১০৭ ধারা ৫২০ নং মামলা পূর্বেই দায়ের করে, কিন্তু বিবাদী পক্ষ আদালত কে অমান্য করে ক্ষমতার দাপটে জমির সমস্ত পাট কেটে বাড়ি নিয়ে চলে যায় ।
বাদী পক্ষ কে হুমকি দামকি এবং দারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে বাদী পক্ষ কে জিম্মি করে রাখে। বাদী পক্ষ বলেন জমিটি আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি এখানে আমরা বসবাস করি না, নদী ভাঙ্গার কারনে আমরা পাশের এলাকায় দীর্ঘ দিন আগে বাড়ি করে বসবাস করছি।
যার জন্য এখানে না থাকার কারনে তাদের বর্গা দিয়েছিলাম। কিন্তু তারা তাদের পেশী শক্তির বলে আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি জোর করে অবৈধ ভাবে জোর দখল নেয়ার পায়তারা করছে। উল্লেখ থাকে যে, আসামীগণ বিগত স্বৈরাচার সরকারের দোসর, তারা এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ ত্রাস কায়েম করে আসছে এবং তাদের বিরুদ্ধে থানায় বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে।
আমাদের বৈধ কাগজ পত্র থাকায় এ বিষয়ে আমরা আদালতের সহযোগিতা চেয়েছি আশা করি সঠিক বিচার পাব। সেই প্রেক্ষিতে আমার ১০ লক্ষ টাকার পাট ফেরত চাওয়ার জোর দাবী করছি।
এ বিষয়ে বেলকুচি থানার সাব ইন্সপেক্টর আয়নাল ইসলাম বলে ঘটনার স্থলে আমি গিয়েছিলাম অভিযোগের বিষয়টির সত্যতা পেয়েছি এবং আসামী পক্ষ নিজেও পাট কেটে নেয়ার কথা স্বীকার করেছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।