ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার বান্দুরার খ্রিষ্টান মহল্লায় আড্ডা দিতে এসে পুলিশের কাছে গ্রেপ্তার হয়েছেন ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার বান্দুরা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও
নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হুমায়ুন কবির। গতকাল ছিল বৃহস্পতিবার, রাত আড়াইটার দিকে বান্দুরা এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেন নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। তাঁর নামে জুলাই আগষ্টের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ বান্দুরা এলাকার একটি খ্রিষ্টান বাড়িতে অভিযান চালায়। এসময় সেখানে কয়েকজন কে আড্ডারত অবস্থায় পাওয়া যায়। নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং বান্দুরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবিরকেও সেখানে পায় পুলিশ। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করে নবাবগঞ্জ থানায় নিয়ে আসেন।
নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ মমিনুল ইসলাম সংবাদ মাধ্যমে বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্রজনতার উপর হামলার ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় এজাহারে নাম রয়েছে।
উল্লেখ্য, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ফাতেমা বেগম ও এসএম আরিফুল ইসলাম পৃথক বাদী হয়ে আওয়ামী লীগের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারী শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা ঢাকা-১ দোহার-নবাবগঞ্জ এর সাবেক এমপি সালমান ফজলুর রহমান (সালমান এফ রহমান) কে প্রধান আসামী করে নবাবগঞ্জ থানায় দুটি মামলা দায়ের করেন।
এ মামলায় ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ, নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু, আলমগীর হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের জৈষ্ঠ্য নেতৃবৃন্দ সহ প্রায় এজাহার নামীয় ৪০৬ জন কে আসামী করা হয়। এ মামলায় এখন পর্যন্ত তিন ইউপি চেয়ারম্যান কলাকোপা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিল, আগলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শিরিন চৌধুরী ও বান্দুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ূন কবির সহ প্রায় অর্ধশতাধিক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হলেও পদধারী প্রথম সারির পলাতক নেতাদের মধ্যে কেউই গ্রেপ্তার হননি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।