ঢাকার নবাবগঞ্জে নিখোজের ৩৮ দিন পরে ঝোপঝাড়ের ভিতরে অর্ধগলিত একটি লাশ উদ্ধার করে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। উত্তম হালদার (২০) ১৭/০২/২০২৫ তারিখে সন্ধ্যা অনুমান ০৬.০০ ঘটিকার সময় বাড়ির বাহিরে যায়। দীর্ঘদিন অতিক্রম হওয়ার পরেও বাড়ীতে ফেরৎ না আসায় তার পরিবার গত ইং-২৬/০৩/২০২৫ তারিখে নবাবগঞ্জ থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরী দায়ের করেন যাহার জিডি নং-১৩৪৮, তারিখ-২৬/০৩/২০২৫ খ্রিঃ।
নবাবগঞ্জ থানা কতৃক খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে গত ২৮/০৩/২০২৫ তারিখ দুপুর অনুমান ১২.০০ ঘটিকার সময় যন্ত্রাইল ইউনিয়নের গোবিন্দপুরের ভুতের বাড়ীর উত্তর পাশে জনৈক মোসলেম হোসেনের বসত বাড়ী সংলগ্ন পুকুরের দক্ষিন পাড়ে ঝোপঝাড়ের ভিতরে অর্ধগলিত উত্তম হালদার (২০) মরদেহ পড়ে আছে।
উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তাৎক্ষনিক উপস্থিত হয় ও মৃত ব্যক্তির আত্মীয়তার স্বজন ভিকটমের পরিহিত পোশাক দেখে নিশ্চিত হন যে, মৃত ব্যক্তি তাহার ছোট ভাই উত্তম হালদার। এ ঘটনায় ভিকটিমের ভাই অসীম হালদার থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন নবাবগঞ্জ থানা যার মামলা নং- ২৬, তারিখঃ-২৯/০৩/২০২৫ ইং।
চৌকস আভিযানিক টিম তথ্য প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত হত্যার সাথে জড়িত ৩ জন আসামিকে গ্রেফতার করে এবং তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী নিহত ভিকটিমের দেহের কিছু গলিত অংশ, হাড়-গোড় ও ১ টি বাইসাইকেল উদ্ধার করে।
গ্রেফতারকৃত হলেন:
১। শেখ পনির (২৬) পিতা-মৃত শেখ পান্নু, সাং-গোবিন্দপুর, থানা-নবাবগঞ্জ, জেলা-ঢাকা
০২। মোঃরাব্বি (২৫) পিতা-মোঃ চাঁন মিয়া, সাং-গোবিন্দপুর, থানা-নবাবগঞ্জ, জেলা-ঢাকা
০৩। রবিন ভূঁইয়া (৩০) পিতা-হাসেম ভূঁইয়া, সাঃ-হযরতপুর, থানা-নবাবগঞ্জ, জেলা-ঢাকা।
পুলিশ সূত্রে জানা যায় যে, মাদক ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, জনাব আশরাফুল আলম, সহকারী পুলিশ সুপার, দোহার সার্কেল তথ্য নিশ্চিত করে আর বলেন যে, উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামীদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত আছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।