নিহতের মা থানায় একটি মামলা করেছেন
বাগেরহাটে টিকটক ভিডিও নিয়ে ঝগড়ার জের ধরে সোমা আক্তার (১৯) নামের এক কলেজছাত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে।
শনিবার (৮ এপ্রিল) সন্ধায় বাগেরহাট শহরে দশানী উত্তরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতের মা থানায় একটি মামলা করেছেন।
পরে অভিযুক্ত স্বামী আব্দুল্লাহ আল নাইম শান্ত (২৩) বাগেরহাট মডেল থানায় আত্মসমর্পণ করেন। তিনি বাগেরহাট শহরের দশানী উত্তরপাড়া এলাকার গোলাম মোহাম্মাদের ছেলে। শান্ত ঢাকায় একটি বাইয়িং হাউসে চাকরি করেন।
নিহত সোমা আক্তার বাগেরহাট সদর উপজেলার সিংড়াই গ্রামের আব্দুল করিম বখসের মেয়ে। তিনি বাগেরহাট সরকারি পিসি কলেজে ইংরেজী বিভাগে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ছাত্রী ছিলেন।
এদিকে শনিবার রাতেই পুলিশ নিহত কলেজ ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
অভিযুক্ত শান্তর বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে ২০১৯ সালে শান্ত ও সোমার বিয়ে হয়। লাইকি ও টিকটকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সোমার ছবি ও ভিডিও পোস্ট করা নিয়ে স্বামী শান্তর সঙ্গে তার দ্বন্দের সৃষ্টি হয়। শান্ত শনিবার ঢাকা থেকে ফিরে সোমাকে ফোন দিয়ে বিকেলে বাড়িতে আসেন। পরে সন্ধ্যায় গলায় ফাঁস দিয়ে সোমাকে হত্যা করেন তিনি।
নিহতের বড় ভাই মো. রাসেল বলেন, বেকার শান্ত স্ত্রীকে ঠিকমত খরচ দিত না। এ নিয়েই তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো।
বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজিজুল ইসলাম বলেন, “আমরা মরদেহ উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছি। আব্দুল্লাহ আল নাইম ওরফে শান্ত থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন। তিনি হত্যার দায় ও কারণ পুলিশকে জানিয়েছেন। হত্যার সঙ্গে অন্য বিষয় জড়িত আছে কিনা তা আমরা খতিয়ে দেখছি।”
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।