হরিষকুল (পূর্ব পাড়া) সার্বজনীন পূজা কমিটির আয়োজনে প্রতি বছরের ন্যায় এবার ও আয়োজন করা হয় শারদীয় দুর্গা পূজার।অতীব আনন্দ আয়োজনের মধ্যে ৯ অক্টোবর ২০২৪ সকালে বরণ ডালা আনয়ন, ষষ্ঠীর ঘটস্থাপন ও ষষ্ঠী পূজা মাধ্যমে শুরু হয় শারদীয় দুর্গা পূজার।
ঐ দিন পরে সায়াহ্নকালে আমন্ত্রণ ও অধিবাস করানো হয়।এবার তিথী কম সময় থাকাতে সকাল ৯ টার মধ্যেই শেষ করতে হয় পূজা পাট।৫:১০ মিনিটে সপ্তামী পূজা বসে ৭ টার মধ্যে ই সমাপ্ত করতে হয়।মহা অষ্টমী, স্বন্ধী ও নবমী পুজা একই দিনে সম্পন্ন করার বাধ্য বাধ্যবাধকতা তিথী সল্পতার কারনে।স্বন্ধী পূজার মূল আকর্ষন ছিলো ১০৮ টি প্রদীপ প্রজ্জল্বন।যা উপস্থিত ভক্ত বৃন্দকে অানন্দের সাগরে অবগাহন করায়।রাত ৩ টায় উঠে পুরোহিত কর্তৃক ভোগ রান্না সম্পন্ন করা হয়।প্রতি বছরের মত এবারও RFL গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর তার পরিবার নিয়ে মায়ের মন্দিরে পূজা দেখেন ও অষ্টমীতে ভক্ত বৃন্দের জন্য খিচুড়ী প্রসাদের আয়োজন করেন।একই দিনে নবমী পর্যন্ত পূজা করতে হওয়াতে পুস্পাঙ্জলী প্রদানে ভক্তদের ছিলো উপচে পড়া ভিড়। অধিক পূজার বিধান হওয়ায় পরের দিন যঙ্গ করে ভক্তদের ফোঁটা প্রদান করা হয়।
এখানে উল্লেখ্য সপ্তমী অষ্টমী ও নবমীতে মায়ের নবপএিকা স্নান ও ষোড়ষ উপাচারে পূজা এবং মায়ের মহাস্নান অত্যন্ত নিষ্ঠা ও যথোপোযুক্ত উপকরণ প্রদনের মাধ্যমে করা হয়।অদ্য ১২/১০/২০২৪ইং রোজ শনিবার শুভ বিজয়ার দশমীর পূজা চলাকালে দুপুর ১২টায় ভবতারণ সেবা সংঘের আচার্য শ্রীমৎ নন্দদুলাল গোস্বামী দুর্গাপূজার মন্দিরে হঠাৎ উপস্থিত হন।
প্রভুপাদ কে দেখে সকল পূজারিবৃন্দ এবং মন্দিরের পুরোহিত শ্রী শুভাশিস গোস্বামী সহ সকলে অভিভূত হয়ে পড়েন। উলু ধ্বনি ও শঙ্খধ্বনি দিয়ে প্রভুপাদকে বরণ করা হয়। প্রভুপাদ সকলকে শারদীয় শুভেচ্ছা ও আশীর্বাদ করেন। প্রভুপাদ তার বক্তব্যে অশুভ শক্তির বিনাশ হোক আর শুভ শক্তি প্রতিষ্ঠিত হোক এই কামনা করেন।প্রভুূপাদ রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রণে বঙ্গভবনে যাবার প্রাক্কালে ভক্তদের আর্শীবাদ দানে কৃপা করতে এখানে আসেন।তিনি বিভিন্ন মন্দির ও ভক্তদের সান্নিধ্য দেন।।অবশেষে সকলের মঙ্গল কামনা করেন। মায়ের আরাধনার শুরুর দিন থেকে বাবু ডা: গঙ্গা গোবিন্দ পাল,প্রান কৃষ্থ পাল,গোলাপ পাল,সাগর পাল সহ ছোট ছোট সোনামনিরা এবং মায়েদের যে সহযোগীতা ছিলো তা অবিস্বরনীয়।সকলের সহযোগিতা ও ভক্তি মার্গের শেষ স্তর নয়ন জ্বলের মধ্য দিয়ে দর্পন বির্ষজনের করে বরণ কুলা আবার ঘরে নেবার মাধ্যমে সমাপ্ত হয় ২০২৪ এর শারদ আয়োজনের।ভক্তরা বলেন আসছে বছর আবার হবে।
এবার সুধীর পালের প্রবাসী ছেলে মৃদুল পাল মহা নবমীতে ভক্ত বৃন্দের জন্য খিচুড়ী প্রসাদের আয়োজন করেন।সবাই আমরা তার জন্য ও পূজায় যারা সহযোগী করেছেন তাদের জন্য মায়ের কাছে প্রার্থনা করি।কমিটির সকল কর্মকর্তা বৃন্দ ও সব রকম সহযোগিতা করায় সুন্দর মতো শেষ হয়েছে আয়োজন।২০০০ সাল থেকে ২৪ বছর ধরে এই মন্দিরে পৌরহিত্য করছেন বাবু শুভাশিস গোস্বামী।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ সুমন
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়: মাঝিরকান্দা (মৃধাকান্দা কাঠালীঘাটা রোড), নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০।